ローソク足(Rōsoku ashi)(রওসকু-আসি)=মোমবাতি/ক্যান্ডেলস্টিক
জাপানী চাল ব্যাবসায়ীরা চাল ট্রেড করতে ক্যান্ডেলস্টিক ব্যাবহার করত। স্টিভ নেলসন নামক একজন এক জাপানী ব্রোকারের কাছ থেকে ক্যান্ডেলস্টিক সম্পর্কে জেনেছিল। স্টিভ পরে ক্যান্ডেলস্টিক সম্পর্কে রিসার্চ করা শুরু করল এবং ক্যান্ডেলস্টিক সম্পর্কে লেখা শুরু করল। পরবর্তীতে ক্যান্ডেলস্টিক ১৯৯০ এর দিকে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
ক্যান্ডেলস্টিক প্রধানত ২ প্রকারের হয়। যথা
১)বুল ক্যান্ডেল
২)বিয়ার ক্যান্ডেল
চারটি মূল্য নিয়ে একটি ক্যান্ডেল গঠিত হয়। যথা :
১)উদ্বোধন মূল্য
২)সমাপনী মূল্য
৩)সর্বোচ্চ মূল্য
৪)সর্বনিম্ন মূল্য
আর একটি ক্যান্ডেল এর ২ টি অংশ থাকে। যথা :
১) বডি
২)দাড়ি বা শ্যাডো
চলুন এবার বুল ক্যান্ডেল ও বিয়ার ক্যান্ডেল সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাক
বুল ক্যান্ডেল :
সংজ্ঞা : উদ্বোধনী মূল্য থেকে যদি বেশি দামে বাজার শেষ হয় তাহলে ক্যান্ডেল এর রং সাদা হবে এবং এটাকে বুল ক্যান্ডেল বলা হয়।
অর্থাৎ ওপেনিং প্রাইস এর থেকে ক্লোজিং প্রাইস এর মূল্য বেশি হবে। বুল ক্যান্ডেল এর উদ্বোধনী মূল্য নিচে এবং ক্লোজিং মূল্য উপরে হয়।
বিয়ার ক্যান্ডেল :
সংজ্ঞা : উদ্বোধনী মূল্য থেকে যদি কম দামে বাজার শেষ হয় তাহলে ক্যান্ডেল এর রং কালো হবে এবং এটাকে বিয়ার ক্যান্ডেল বলা হয়।
অর্থাৎ ওপেনিং প্রাইস এর থেকে ক্লোজিং প্রাইস এর মূল্য কম হবে।
বিয়ার ক্যান্ডেল এর উদ্বোধনী মূল্য উপরে এবং ক্লোজিং মূল্য নিচে হয়।
শ্যাডো/ দাড়ি/ হিগে :
সাদা বা কালো চতুষ্কোণ ক্যান্ডেল (খুঁটি) এর উপরের এবং নীচের বর্ধিত অংশকে দাঁড়ি বলে।
উপরের অংশের বর্ধিত দাঁড়িকে ঐ ক্যান্ডেল এর সর্বোচ্চ মূল্যকে বুজানো হয়।
এবং নীচের অংশের বর্ধিত দাঁড়িকে ঐ ক্যান্ডেল এর সর্বনিম্ন মূল্যকে বুজানো হয়।
নোট : যদি শ্যাডো না থাকে তাহলে ওপেনিং ও ক্লোজিং প্রাইস এ সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মূল্য আছে ধরে নিতে হবে।

No comments :
Post a Comment